নবিজী (সঃ) সবচেয়ে বেশি মুখের যত্ন নিতেন।

নবিজী (সঃ) সবচেয়ে বেশি মুখের যত্ন নিতেন।

আমরা আসলে নবিজী সম্পর্কে ধারনা করি যে, তিনি আমাদের ধোরা ছোয়ার বাইরে। অনেক অনেক দুরে, আমাদের জীবনের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। আমরা আমাদের মত চলব আর মাঝে মাঝে তার প্রতি দরুদ সালাম পাঠাব। এই আরকি ব্যস হয়ে গেল।

আসলে আমাদের জীবনটাকে সুন্দর করার জন্যেই তিনি তার নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।

নবিজী (সঃ) দেহের যত্ন কীভাবে নিতেন।

সবচেয়ে বেশি নিতেন মুখের যত্ন। যা কিছু খাচ্ছেন এই মুখ দিয়ে খাচ্ছেন। মুখে যদি জীবানু থাকে, তাহলে খাবারের সাথে সেই জীবাণুটা ভেতরে চলে যাবে।

উনি দেখেন কতো মডার্ন ছিলেন।

এখন সবচেয়ে লেটেস্ট ট্রেন্ড কী।

সবকিছুর মধ্যে অর্গানিক হতে হবে। উনি তো অর্গানিক ছিলেন ১৪০০ বছর আগে।

উনি দাত ব্রাশ করতেন কী দিয়ে

  • নাইলন দিয়ে না
  • প্লাস্টিক দিয়ে না
  • অর্গানিক।

সকালে উঠে প্রথমে কাজ করতেন মেসওয়াক করা। তারপর ওজু করা। উম্মতের কষ্ট হবে তা না হলে বলতেন যে প্রত্যেক নামাজের আগে কী করো।

মেসওয়াক করে ওজু করার বিধান আমি দিতাম। কিন্তু তোমাদের কষ্ট হবে এজন্য দিচ্ছি না।

উনি নিজে করতেন। কেন, মুখটা পরিষ্কার থাকবে।

যে কোন খাবার গ্রহন করতে

খাবার প্রহন করার পরে তিনি কুলি করতেন। যেন কোন খাদ্য কোনা লেগে না থাকে। যাতে কোন ব্যাকটেরিয়া তৈরি না হয়।

আপনি যদি হাদিস দেখেন,  হাদিসের বড় এক অংশ হচ্ছে শুধু শুদ্ধাচার।

  • শরীরের যত্ন কীভাবে নিতে হয়।
  • দেহের যত্ন কীভাবে নিতে হয়।
  • মৃত্যুর আগে শেষ রোগ না হওয়া পজন্ত টোটাল ফিজিক্যাল ফিটনেস। নিয়ে তিনি কাটিয়েছেন।

খন্দকের সময় কী করেছেন?

যে পাথর অন্যরা ভাঙ্গতে পারে না। সে পাথর তিনি ভেঙ্গেছেন।

তার ফিজিক্যাল ফিটনেস কতোটা ছিল।

বদরে যখন যাত্রা করছেন, তখন তিনজন সফরের জন্য একটি উঠ। তো পালাক্রমে তিনজন, নবিজী যে উটে উঠছেন তার আরও দুজন সওয়ারী তো একজন হাটবে। নবিজীর যখন হাটার পালা হলো। তখন অন্য দুজন বললেন ইয়া রসিলুল্লাহ আপনি আরাম করেন।

নবিজী বলে যে কেন?

তোমরা কী নিজেদেরকে আমার চেয়ে ফিট মনে কর। মসজিদে নববী তৈরি হচ্ছে। অন্যদের সাথে তিনিও কাচা মাটির ইট বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন।

কী কারনে? ফিজিক্যাল ফিটনেসের কারনে। উনার শিক্ষা আলৌকিক নয়।

উনার শিক্ষা হচ্ছে আপনি দেহ মন আত্নাকে কীভাবে ফিট রাখতে পারেন। উনি যেভাবে রেখেছেন,  উনি সেই কথাগুলোই আমাদের বলে গেছেন। লিডার তিনি যিনি জানেন, পথ জানেন। যিনি নিজে পথে চলেন এবং অন্যকে পথ দেখান। অন্যকে পথ না দেখালে তিনি লিডার হতে পারবেন না।

একজন হচ্ছে যে নিজে, আমি পথ জানি আমি একা একা চললাম। তিনি একা, তিনি কখনো লিডার হতে পারবেন না। তিনি একা ভালো থাকতে পারেন। কিন্তু তিনি কাউকে লিড করতে পারেন না।

  • জানতে হবে।
  • মানতে হবে।
  • চলতে হবে।
  • এবং পথ দেখাতে হবে।

আরও পড়ুন

সুন্দর করে কথা বলে মানুষের মন জয় করার টিপস

সম্মান অর্জন করার ৬ টি উপায়। যে কেউ আপনাকে সম্মান করবে।

 

admin

admin

My name is Md Masudur Rahman. I’m a believer, I’m a dreamer and I’m a doer. I am well known in content creation, Presentation & Leadership skill. I can speak very well both in Bengali and English.

Related post

One thought on “নবিজী (সঃ) সবচেয়ে বেশি মুখের যত্ন নিতেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।